ডোমারে কুকুর কাঁমড়ানো গরুর মাংস বিক্রি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার, (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডোমারে কুকুর কাঁমড়ানো গরুর মাংস বিক্রি নিয়ে তোলপাড়, মৃত গরুর রক্ত খেয়ে ৩ টি কুকুরের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় মাংস বিক্রেতা ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বেতগাড়া ৮নং ওয়ার্ডের বাবু পাড়া গ্রামের মৃত একরাম আলীর ছেলে গোলাম নূর (৫০)’র একটি গরুকে কুকুর কামড়ানোর ফলে অসুস্থ হয়ে পরে। কিন্তু গোলাম নুর ও প্রতিবেশী হোদোলা মামুদের ছেলে কসাই গুলবাহার (৪৭) মিলে গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রি করে দেয়। প্রতিবেশীরা জানতে পেড়ে এ নিয়ে এলাকায় লংকাকান্ড শুরু হয়। অপর দিকে জবাইকৃত গরুর রক্ত খেয়ে পরদিন ৩টি কুকুরের মৃত্যু হয়। শেষে মৃত কুকুরগুলি রাস্তার পাশে মাটিচাপা দেয় এলাকাবাসী। এলাকার জামিয়ার রহমান জামিল জানান, আমরা নিষেধ করার পরেও জুম্মার নামাজের সময় গোপনে গরুটি জবাই করে মাংসগুলো বিক্রি করে দেয় গোলাম নুর ও গুলবাহার কসাই। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকালে এলাকাবাসী ধঞ্চনপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ রাশেদুল হক বলেন, জোড়াবাড়ীর ভ্যাটেনারী ডাক্তার রতন গরুটার চিকিসা করেন এবং আমাকে ফোন দিয়ে কুকুর কামরানোর বিষয়টি জানায়। আমি গরুর মালিক গোলাম নুরকে গরুটি বিক্রি বা মাংস খেতে নিষেধ করেছি এ অবস্থায় মৃত্যু হলে মাটিতে পুতে ফেলার পরামর্শ দেই। এধরনের গরুর মাংস কাটাছিড়া যারা করবে তাদের এ্যানথেরাক্স রোগ ও মাংস খেলে জলাতংক সহ মানুষের নানা সমস্যা হতে পারে। বাজারে জনসম্মুক্ষে পরীক্ষা করে ও অন্যত্র হতে নিয়ে আসা খালী মাংস বিক্রি না করার জোর দাবী জানান ক্রেতারা। অর্থলোভী গোলাম নুর ও কসাই গুলবাহারের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহনে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

কোন মন্তব্য নেই