হাতীবান্ধায় আরো এক বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু
হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এবার বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৬ মাসের শিশু কন্যা রাদিয়াতুল জান্নাত। সে উপজেলার উত্তর গোতামারী গ্রামের কারখানার শ্রমিক আতাউর রহমানের মেয়ে। অর্থাভাবে চিকিৎসা দিতে না পারায় তার ভাল হওয়া না হওয়া ছেড়ে দিয়েছে নিয়তির হাতে। চিকিৎসা অভাবে নিস্পাপ শিশুটির অবস্থা দিনদিন অবনতি হচ্ছে। তার পিঠের ক্ষতটি টিউমার আকৃতি ও মাথা দিনদিন ফুলে যাচ্ছে।সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে এ বাস্তব অবস্থা চোখে পড়েছে।
শিশুটির মামা শাহাজাহান আলী জানান, জন্মের পর শিশুটির পিঠে একটু ক্ষতের দাগ দেখা গেছে।এর জন্য হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: নাঈম হাসান নয়নের নিকট চিকিৎসা নেয়া হয়। ডা: নয়নের নিকট প্রাথমিক চিকিৎসা নেওযার পর সুস্থ্য না হওয়ায় রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিউরো সার্জারী বিভাগের ডা:মো: তোফায়েল হোসেন ভুঞাঁর চিকিৎসা নেয়া হযেছে।ডা: তোফায়েল পরীক্ষা নিরিক্ষা শেষে জানান,শিশুটি ম্যানিগোসেল(গবহরহমড় পধষব) রোগে আক্রান্ত হয়েছে।ইহা মেরুদন্ডের মাঝে একটি ক্ষতের মত মেরুদন্ডটি দু’ভাগে বিভক্ত। এরপর আবারো ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে সেখানেও একই রোগের কথা বলেছেন চিকিৎসক।এ রোগের লক্ষণ দেখা যাওয়ায় চিকিৎসক অতি তাড়াতাড়ি অপারেশন করার জন্য পরামর্শ দেন।অপারেশন করতে ৩ হতে ৪ লাখ টাকার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান শিশুটির মামা।
কিন্তু সহায় সম্পদ হারা ঢাকায় এক কারখানার শ্রমিক আতাউর রহমান হাতের জমাকৃত অর্থ চিকিৎসা করতে গিয়ে শেষ করে ফেলায়।শিশুটি বিরল রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছেন নিয়তির হাতে। তারা অর্থাভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা পর্যন্ত শুরু করেনি।
বাবা-মা তাদের বিরল রোগে আক্রান্ত শিশুটির সুচিকিৎসার জন্য সরকারের উচ্চ মহলসহ দেশে বিত্তবানদের নিকট মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
শিশুটির মামা শাহাজাহান আলী জানান, জন্মের পর শিশুটির পিঠে একটু ক্ষতের দাগ দেখা গেছে।এর জন্য হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: নাঈম হাসান নয়নের নিকট চিকিৎসা নেয়া হয়। ডা: নয়নের নিকট প্রাথমিক চিকিৎসা নেওযার পর সুস্থ্য না হওয়ায় রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিউরো সার্জারী বিভাগের ডা:মো: তোফায়েল হোসেন ভুঞাঁর চিকিৎসা নেয়া হযেছে।ডা: তোফায়েল পরীক্ষা নিরিক্ষা শেষে জানান,শিশুটি ম্যানিগোসেল(গবহরহমড় পধষব) রোগে আক্রান্ত হয়েছে।ইহা মেরুদন্ডের মাঝে একটি ক্ষতের মত মেরুদন্ডটি দু’ভাগে বিভক্ত। এরপর আবারো ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে সেখানেও একই রোগের কথা বলেছেন চিকিৎসক।এ রোগের লক্ষণ দেখা যাওয়ায় চিকিৎসক অতি তাড়াতাড়ি অপারেশন করার জন্য পরামর্শ দেন।অপারেশন করতে ৩ হতে ৪ লাখ টাকার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান শিশুটির মামা।
কিন্তু সহায় সম্পদ হারা ঢাকায় এক কারখানার শ্রমিক আতাউর রহমান হাতের জমাকৃত অর্থ চিকিৎসা করতে গিয়ে শেষ করে ফেলায়।শিশুটি বিরল রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছেন নিয়তির হাতে। তারা অর্থাভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা পর্যন্ত শুরু করেনি।
বাবা-মা তাদের বিরল রোগে আক্রান্ত শিশুটির সুচিকিৎসার জন্য সরকারের উচ্চ মহলসহ দেশে বিত্তবানদের নিকট মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই