" যারা মাদক সেবন করে-তারা বিষ পান করল " পুলিশ সুপার এস,এম রশিদুল
আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ বর্তমান সমাজে যারা মাদক সেবন করল তারা দুধের পরিবর্তে বিষ পান করল আর যে বাবা বাল্য বিবাহ দেয় সে বাবা জল্লাদ বলেছেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এস,এম রশিদুল। হক বলেন। তিনি ১১ নভেম্বর শনিবার রাতে
লমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে সন্ত্রাস,জঙ্গী, বাল্য বিবাহ ও মাদক নির্মূলে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তিনি আরও বরেন, ফেনসিডিল প্রথমে আসল কাশির সিরাপ হিসেবে এখন হল নেশার সিরাপ এখন মাদকে পরিনত হয়েছে। আমাদের দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি আর ১ কোটি হল মাদকসেবী। এই মাদকসেবীরা প্রতিদিন মাদকের পিছনে যে অর্থ ব্যায় করছে তা বছরে হিসাব করলে দেশে একটি অর্ধেক পদ্মা সেতু নির্মান করা যাবে। কোন এলাকাতে মাদক নেই সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।একেবারে মাদক নির্মূল করা যাবে না তবে আমাদের লক্ষ্য একটা সহনীয় পর্যায়ে নেওয়া সেই উদ্দেশ্যই আমরা কাজ করছি। পৃথিবীতে যতদিন মানবসম্প্রদায় ঠিকে থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত ৩টি বিষয় মাদক, জুয়া, দেহব্যবসা থাকবে। এগুলো মুক্তকরা সম্ভব নয়, তিনি আরও বলেন, এ জেলায় যোগদানের পর থেকে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছিলাম তাতে আমার পুলিশ বাহিনীর অফিসার এবং কনেষ্টেবল সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে ব্যাপক সাড়া মিলেছে তার ফসল হিসেবে ১১৫৭টি মাদক মামলা আর ১২৮০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছি।এসময় ৩ হাজার কেজি গাঁজা, ২৩ হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ১২ হাজার পিস ইয়াবা ও ১৫৭৬৪ পুড়িয়া হিরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য বলে যে সমস পুরিশ ভাইয়েরা যারা মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যারা নৌকার মাঝি তারা যেন নদীর মাঝখানেই থাকে ডাঙ্গায় যেন উঠতে না পারে। তিনি মাদকসেবীর বিরুদ্ধে কঠোর হুশায়ারি দিয়ে বলেন মাদকসেবী যে দলেরই হউক ততার কোন ছাড় নেই। তিনি আরও বলেন, ফেন্সিডিল পারাপারের জন্য কিছু নৌকা আছে,তাদের তালিকা আমার কাছে আছে। তাদেরকে সাবধান করে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে ভাল হন নইলে বিপদ আছে।
মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ ও আদিতমারী কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিট এর আয়োজনে, মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আদিতমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলী গের সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত কুমার সরকার, কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটের সভাপতি আবু বক্কর, আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ হরেশ্বর রায়।
এসময় বক্তব্য রাখেন মহিষখোচা ইউপি সদস্য মজমুল হক, বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক ও মহিষখোচা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সোবাহান, পলাশী ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী, মহিষখোচা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শরওয়ার আলম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম,আদিতমারী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
লমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে সন্ত্রাস,জঙ্গী, বাল্য বিবাহ ও মাদক নির্মূলে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তিনি আরও বরেন, ফেনসিডিল প্রথমে আসল কাশির সিরাপ হিসেবে এখন হল নেশার সিরাপ এখন মাদকে পরিনত হয়েছে। আমাদের দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি আর ১ কোটি হল মাদকসেবী। এই মাদকসেবীরা প্রতিদিন মাদকের পিছনে যে অর্থ ব্যায় করছে তা বছরে হিসাব করলে দেশে একটি অর্ধেক পদ্মা সেতু নির্মান করা যাবে। কোন এলাকাতে মাদক নেই সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।একেবারে মাদক নির্মূল করা যাবে না তবে আমাদের লক্ষ্য একটা সহনীয় পর্যায়ে নেওয়া সেই উদ্দেশ্যই আমরা কাজ করছি। পৃথিবীতে যতদিন মানবসম্প্রদায় ঠিকে থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত ৩টি বিষয় মাদক, জুয়া, দেহব্যবসা থাকবে। এগুলো মুক্তকরা সম্ভব নয়, তিনি আরও বলেন, এ জেলায় যোগদানের পর থেকে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছিলাম তাতে আমার পুলিশ বাহিনীর অফিসার এবং কনেষ্টেবল সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে ব্যাপক সাড়া মিলেছে তার ফসল হিসেবে ১১৫৭টি মাদক মামলা আর ১২৮০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছি।এসময় ৩ হাজার কেজি গাঁজা, ২৩ হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ১২ হাজার পিস ইয়াবা ও ১৫৭৬৪ পুড়িয়া হিরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য বলে যে সমস পুরিশ ভাইয়েরা যারা মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যারা নৌকার মাঝি তারা যেন নদীর মাঝখানেই থাকে ডাঙ্গায় যেন উঠতে না পারে। তিনি মাদকসেবীর বিরুদ্ধে কঠোর হুশায়ারি দিয়ে বলেন মাদকসেবী যে দলেরই হউক ততার কোন ছাড় নেই। তিনি আরও বলেন, ফেন্সিডিল পারাপারের জন্য কিছু নৌকা আছে,তাদের তালিকা আমার কাছে আছে। তাদেরকে সাবধান করে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে ভাল হন নইলে বিপদ আছে।
মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ ও আদিতমারী কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিট এর আয়োজনে, মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আদিতমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলী গের সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত কুমার সরকার, কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটের সভাপতি আবু বক্কর, আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ হরেশ্বর রায়।
এসময় বক্তব্য রাখেন মহিষখোচা ইউপি সদস্য মজমুল হক, বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক ও মহিষখোচা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সোবাহান, পলাশী ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী, মহিষখোচা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শরওয়ার আলম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম,আদিতমারী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।


কোন মন্তব্য নেই