ফিলিপাইনে ঝড় ‘তেমবিনে’ নিহত ১৮০

ফিলিপাইনে ঝড় ‘তেমবিনে’ নিহত ১৮০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিপাইনে ক্রান্তীয় ঝড় ‘তেমবিনে’ ১৮০ জন নিহত হয়েছেন। ঝড়ের আঘাতে দক্ষিণ ফিলিপাইনে এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
 
বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ‘তেমবিন’ ঝড়ের জোরালো ঝাপটায় ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে ভূমিধস ঘটে। আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিন্দানাও দ্বীপের তুবদ ও পিয়াগাপো শহর দুটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার অসংখ্য ঘরবাড়ি বোল্ডারের নিচে চাপা পড়ে আছে। সরকার লানাও দেল নর্টে ও লানাও দেল সার এলাকাসহ বেশ কিছু এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ফিলিপাইনে ঝড় ‘তেমবিনে’ নিহত ১৮০
 
তুবদের পুলিশ কর্মকর্তা গ্যারি পারামি বলেন, শহরের লানাও দেল নর্টে এলাকায় অন্তত ১৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। ঘরবাড়ি ভেসে যাচ্ছে। সেখানে আর কোনো গ্রাম অবশিষ্ট নেই। ওই অঞ্চলের দালামা গ্রামে স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধারকাজ করছেন।
 
সারিপাদা পাকাসাম নামের এক কর্মকর্তা বলেন, তুবদ থেকে ১০ কিলোমিটার পূর্বে পিয়াগাপো শহরে এই বন্যার কারণে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। সেখানে উদ্ধারকর্মী পাঠানো হয়েছে। তবে পাথুরে এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। ফিলিপাইনে ঝড় ‘তেমবিনে’ নিহত ১৮০
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিপাইনের সিবুকো ও সালুগ শহরে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রায় সব ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
 
প্রতি বছর ফিলিপাইনে প্রায় ২০টি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। এতে ব্যাপক ধ্বংস ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। দরিদ্র লোকজনই এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার বেশি হন।
 
গত সপ্তাহে দেশটির মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা অপর এক ঘূর্ণিঝড়ে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.