‘বাংলাদেশের মেয়েরাই আগে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে’
স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের অনূর্ধ্ব ১৫ নারী ফুটবল দলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ান
অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের
অনূর্ধ্ব ১৫ নারী দল।
আগামী ২৪ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গেই ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ।
এর আগেও এএফসি অনূর্ধ্ব ১৪ ফুটবলের আঞ্চলিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠে ২০১৫ সালে।
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর গ্রামের নাম এখন বাংলাদেশের অনেকেই চেনে। একদল কিশোরী ফুটবলার সেখান থেকে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশে যে দেশব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টুর্নামেন্ট হয়, সেখানা
টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়মনসিংহের কলসিন্দুর বিদ্যালয়।
নিয়মিত সাফল্য পাওয়া এই কিশোরীদের কাছে জানতে চায় হয় কীভাবে ফুটবলার হয়ে ওঠা।
শারাবান তহুরা বলেন, ‘আমি ছোটবেলায় ফুটবল খেলতে চাইলে বাবা মা বারণ করতো
লুকিয়ে খেলতাম, ফুটবল খেলতেই ভালোলাগ তো শুধু। এখন আমাকে যখন টিভি বা
পত্রিকায় দেখায় বাবা মা গর্ব করে।’ 
ছেলেদের চেয়ে নিয়মিতই সাফল্য পাচ্ছে মেয়েদের ফুটবল দলগুলো।
বয়সভিত্তিক দলগুলো গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য নারী বিশ্বকাপে অংশ নেয়া।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন,
‘এই দলটি মূলত একটা পরিকল্পনা নিয়ে করা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে মেয়েদের
প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে রাখা হচ্ছে। দলের লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা
অর্জন, সেজন্য দেশি ও বিদেশি কোচের সমন্বয়ে নিয়মিত ট্রেনিং হয়। খেলা না
থাকলেও প্রতিনিয়ত ম্যাচ আয়োজন করা হয়। শুধু খেলা নয়, খাদ্যাভ্যাসের
দিকেও আমরা খেয়াল রাখি।’
২০০৯ সাল থেকেই এই দলের সঙ্গে আছেন কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। তিনি বলেন,
‘যতক্ষণ দলের সঙ্গে আছেন ততক্ষণ ওরা একতাবদ্ধ, এক সঙ্গে জীবনযাপনের সুফল
পাচ্ছে দলটি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ নারী দল নিয়ে বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা বেশি, তাই বাফুফের পৃথক পরিকল্পনা এই দল নিয়ে।’
সূত্র : বিবিসি বাংলা

কোন মন্তব্য নেই