ডোমার জোড়াবাড়ীতে এক অসহায় শিক্ষককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ


আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী ) প্রতিনিধি: শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর, সেই শিক্ষককে অপমানিত বা হয়রানী করাটা জাতীর জন্য কতটুকু  সমুচিত, অশ্রুভেজা কন্ঠে এমনি কথাগুলো বলেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের অসহায় এক সাবেক প্রাথমিক শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ হোসেন আলী মাষ্টার (৬৫)।

এলাকার কুচক্রি মহলেরর কিছু ব্যাক্তি তার জোতজমি জোরপূর্বক জবরদখল সহ তাকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হেওপ্রতিপণœ করা চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে যানাযায়, উক্ত গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের জয়নাল পাড়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের প্রথম পুত্র সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ হোসেন আলী মাষ্টার। ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে ২০১১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৯ বছর যাবত সততা ও নিষ্ঠার সাথে হাজারো সন্তানকে শিক্ষার আলো দিয়ে অবসর গ্রহন করেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি মক্কা মদিনা সফর করে হজ্ব পালন শেষে ফিরে আসেন নিজ এলাকায়। স্ত্রী ও ৪ কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। অপরদিকে শক্রতার জেরে প্রতিবেশী মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে একরামুল হক, জাহিদুল ইসলাম, আমিনুর রহমান সহ তার পরিবারের লোকজন মিলে হোসেন আলী মাষ্টারের জমি দখলের পায়তারা শুরু করে। এবং মাষ্টারের বিরুদ্ধে ২৫/০৪/১৩ তারিখে সহকারী জজ আমলী আদালতে মামলা নং ১৮/১৩ দায়ের করে। মামলার সুত্র ধরে গত ০৭/০৪/১৭ তারিখে একরামুল, জাহিদুল সহ তার দলবল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হোসেন মাষ্টারের পায় ৪৭ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে দূর্বৃত্তরা। এর পরেও তারা খান্ত হয়নি। গত ০৯/১১/১৭ তারিখে মাষ্টারের বাড়ির লোকজন সকলে আতœীয়র বাড়ীতে যাওযার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একরামুল, জাহিদুল ও তার সন্ত্রসী বাহিনী মাষ্টারের বাঁশবাগান হতে প্রায় ৩শতাধীক বাঁশ কেটে নিয়ে যায় তারা। অপর দিকে তারা ০৪/০৯/১৭ তারিখে মাষ্টারের পরিবারে লোকদের ৫ জনকে আসামী করে বিজ্ঞ আদালতে এনজিআর মামলা নং ৫৫/১৭ দায়ের করে। একের পর এক মামলা, হামলা ও হুমকির ভয়ে হোসেন আলী মাষ্টার সহ তার পরিবারের লোকজন ভয়ভীতি ও আতংকে দিনাতিপাত করছে। বিষয়টি সমাধানে বিভিন্ন মহলে ছুটাছুটি করছে অসহায় ওই সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব হোসেন আলী মাষ্টার। তাদের কবল থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন মাষ্টারের পরিবার।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.