জাতীয় লিগ রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা অর্জন খুলনার

রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা অর্জন খুলনার

স্পোর্টস ডেস্ক:  প্রথম পাঁচ রাউন্ড থেকেই শিরোপা জেতার কাজটা এগিয়ে রেখেছিল খুলনা বিভাগ। শেষ রাউন্ডে ঢাকা বিভাগকে রীতিমতো গুড়িয়ে দিয়ে ১৯তম জাতীয় লিগের শিরোপা ঘরে তুলল তারকায় ভরা দলটি। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার এবং সবমিলে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল মিরাজরা।

এই মৌসুমে প্রতিটি রাউন্ডেই প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে খুলনা। হবেই না কেন? খুলনার একাদশ একরকম জাতীয় দলের মতোই! শেষ রাউন্ডে এই বিভাগের হয়ে খেলা একাদশে আছেন এনামুল, সৌম্য, মিথুন, রুবেল, রাজ্জাক, মিরাজের মতো তারকারা। ছিলেন জাতীয় দলে খেলা এক সময়কার গুরুত্বপূর্ণ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তুষার ইমরান, যার কিনা এই রাউন্ড খেলতে নামার আগে নামের পাশে ছিল প্রায় ১০ হাজার (৯,৮৫৭) রান। সেই সঙ্গে আরেক বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান জিয়াউর রহমান তো আছেনই। এই একাদশের একজনেরই কেবল জাতীয় দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তিনি মেহেদী হাসান। তারপরও তার ব্যাট থেকে প্রথম ইনিংসে এসেছে ১৭৭ রান। এমন সব খেলোয়াড় যে দলটিতে, শিরোপা জেতা তো তাদেরকেই মানায়!
রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা অর্জন খুলনার
আজ শনিবার সকালে ষষ্ঠ রাউন্ডের শেষ দিনে বিকেএসপিতে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ঢাকা ২৯৭ রানে গুটিয়ে যায়। ফলে ইনিংস ও ৪৯ রানের জয় পায় খুলনা। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়ে সেরা হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৩ রানে অলআউট হওয়া ঢাকাকে এনামুল হক বিজয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে ৪৫৯ রান করে জবাব দিয়েছিল খুলনা। ইনিংস হার এড়াতেই ঢাকাকে করতে হতো অন্তত ৩৪৬ রান। তাতে কুলিয়ে উঠতে পারেনি মোহাম্মদ শরিফের দল। দ্বিতীয় ইনিংসে কিছুটা দৃঢ়তা দেখালেও থেমেছে ২৯৭ রানে। ফলে দ্বিতীয়বার আর ব্যাট করতে হয়নি খুলনাকে।

২৪ রানে ৭ উইকেট নিয়ে প্রথম ইনিংসে ঢাকাকে ধসিয়ে দিয়েছিলেন মিরাজ। দ্বিতীয় ইনিংসেও খুলনার বোলিং হিরো তিনি। ৮৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ভেঙে দিয়েছেন ঢাকার প্রতিরোধ। রুবেল হোসেন ৬৪ রানে নেন ৩ উইকেট।

ইনিংস ব্যবধানে জেতায় ৮ পয়েন্টের সঙ্গে খুলনা পেয়েছে একটি বোনাস পয়েন্টও। ৬ ম্যাচে দুই জয় ও চার ড্র’তে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল তারা। এই ম্যাচ হেরে যাওয়া দুইয়েও থাকা হচ্ছে না ঢাকার। চট্টগ্রামে বরিশালের বিপক্ষে ড্রয়ের পথে থাকা রংপুর হয়ে যাবে রানার্সআপ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.