সুন্দরগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক গ্রেপ্তার: শাস্তি দাবী
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাজ্জাদুল করীম টিপু নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সুন্দরগঞ্জ থানায় রবিবার রাত পৌনে ৯টায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
সাজ্জাদুল করীম টিপু গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এটিএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (আইটি)।
পুলিশ ও ছাত্রীর পরিবার জানায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সাজ্জাদুল করীম টিপু ওই ছাত্রীকে সাজেশন দেওয়ার কথা বলে ছুটির পর বিদ্যালয়ে থাকতে বলে। পরে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করা হয়।
গত ২৯ নভেম্বর ছাত্রীর বাবা প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগ করে কোনও প্রতিকার মেলেনি বলে জানায় ছাত্রীর পরিবার। বরং অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরে বাধ্য হয়ে স্কুল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এলাকা ছেড়ে সুন্দরগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয় ওই ছাত্রী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, লিখিত অভিযোগের পর শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার জন্য বিদ্যালয়ে বসার দিন ঠিক করা হয়। ওই দিন মেয়ে পক্ষ, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক উপস্থিত না হওয়ায় আলোচনা হয়নি। পরে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিচার দাবিতে স্কুলে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে বিদ্যালয়ের তালা খুলে দেন। ওই ছাত্রীর পরিবারকে তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন। ছাত্রীর কাছে অভিযোগ শোনার পর পুলিশকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের নির্দেশ দিলে পুলিশ তাকে রবিবার সন্ধ্যায় আটক করে।
সাজ্জাদুল করীম টিপু গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এটিএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (আইটি)।
পুলিশ ও ছাত্রীর পরিবার জানায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সাজ্জাদুল করীম টিপু ওই ছাত্রীকে সাজেশন দেওয়ার কথা বলে ছুটির পর বিদ্যালয়ে থাকতে বলে। পরে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করা হয়।
গত ২৯ নভেম্বর ছাত্রীর বাবা প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগ করে কোনও প্রতিকার মেলেনি বলে জানায় ছাত্রীর পরিবার। বরং অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরে বাধ্য হয়ে স্কুল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এলাকা ছেড়ে সুন্দরগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয় ওই ছাত্রী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, লিখিত অভিযোগের পর শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার জন্য বিদ্যালয়ে বসার দিন ঠিক করা হয়। ওই দিন মেয়ে পক্ষ, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক উপস্থিত না হওয়ায় আলোচনা হয়নি। পরে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিচার দাবিতে স্কুলে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে বিদ্যালয়ের তালা খুলে দেন। ওই ছাত্রীর পরিবারকে তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন। ছাত্রীর কাছে অভিযোগ শোনার পর পুলিশকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের নির্দেশ দিলে পুলিশ তাকে রবিবার সন্ধ্যায় আটক করে।


কোন মন্তব্য নেই