আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে : জয়
বিজয় ডেস্ক: আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের
মানুষের জন্য উন্নয়নের নতুন দিগন্তে উন্মোচন করতে করতে হবে বলে মন্তব্য
করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব
ওয়াজেদ জয়।
বৃহস্পতিবার ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে দ্বিতীয় দিন সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে এ কথা বলেন তিনি।
এতে
পাঁচ দেশের মন্ত্রীসহ ৭ দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। গ্লোবাল কনসান্টিং
গ্রুপ এর জারিফ মুনিরের সঞ্চালনায় এই কনফারেন্সে কি-নোট উপস্থাপন করেন
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
কি-নোট
উপস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘বাংলাদেশ
প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।
এজন্য ৪র্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে এখন কথা বলার সময় এসেছে। কারণ, দ্রুত বদলে
যাওয়া প্রযুক্তি মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনছে। ফলে,
অর্থনীতির বিকাশ ও শিল্পায়নও দ্রুত ঘটছে।’
জয়
বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যেই ন্যানোম্যাটেরিয়ালের বাণিজ্যিক ব্যবহার দেখা
যাবে। এসব ন্যানোম্যাটেরিয়াল স্টিলের চেয়েও ২০০ গুন শক্ত কিন্তু চুলের
চেয়েও পাতলা। থ্রিডি প্রিন্টেড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট হবে। ’
সজীব
ওয়াজেদ বলেন, ‘সরকার বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের
উন্নয়নে কাজ করেছে। জনগণ তথ্যপ্রযুক্তির সুফলও ভোগ করছে। ফলে, বাংলাদেশে
প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডেই আপনারা দেখেছেন
ড্রোন, বিশ্বের উন্নত রোবট সোফিয়াকে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে মোবাইল সুপারকম্পিউটিং, চালকহীন গাড়ি, কৃত্রিম
বুদ্ধিমান রোবট, নিউরো প্রযুক্তির ব্রেন, জেনেটিক এডিটিং দেখতে পাবে।
প্রযুক্তির এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের জন্য আমাদেরকে
উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে।’
নেটওয়ার্ক
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও প্রকৌশলীদের জন্য আগামী ভবিষ্যত হবে এবং এজন্য নতুন
প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘বর্তমানে ৬ষ্ঠ
শ্রেণী থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে দেওয়া হচ্ছে, ভাবিষতে প্রাথমিক
স্তরেও আইসিটি শিক্ষা দেয়া হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ভবিষ্যত পরিকল্পনা
রয়েছে আইটি শিক্ষা প্রাইমারি লেবেল থেকে শুরু করার।’
এ
সময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক বলেন, ‘গত ৯ বছরে বাংলাদেশ
দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা দ্রুত এগিয়েছি। ভবিষতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ
তৈরি করছি। তরুণদের উদ্যোক্তা হতে পথ দেখাচ্ছি। ৫ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের
লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।’
এ সময় কঙ্গোর
প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য উপদেষ্টা ডায়োডোনি কালোম্বো কোলি বাডিবাং(Diedonne
Kalombo Nkile), কম্বোডিয়ার ডাক ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কান চানমেটা(Kan
Channmeta) বক্তব্য দেন।
এছাড়া
কনফারেন্সে ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী দিনা নাথ ডঙ্গায়েল(Dina Nath
Dungyel), মালদ্বীপের সশস্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপমন্ত্রী থরিক আলী
লুথুফি(Thariq Ali Luthufi), ফিলিপাইনের আইসিটি অধিদপ্তরের পরিচালক নেস্টর
এস বোঙ্গাটা(Nestor S. Bongata), অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই